বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকে আঘাত লাগলে শরীরে নিজস্ব মেকানিকেরা ক্ষত সারিয়ে দেয়, কিন্তু দাগটা তো থেকেই যায়। ক্ষত বলতে শুধু গভীর আঘাতকেই বেঝায় না, ব্রণের দাগ, পোকা কামড়ানোর বা পোড়া দাগ সবই কিন্তু মুখে নিজের উপস্থিতির ছাপ রেখে যায়। সব ক্ষেত্রেই যে দাগ এক ধরনের হবে, তা কিন্তু নয়। কী কারণে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে, তার ওপর নির্ভর করে দাগের ধরন। আর এক এক ধরনের দাগের জন্য রয়েছে এক এক রকমের চিকিৎসা। তাই আপনার দাগ কেমন, সেটা বুঝে নিয়ে যদি যথাযথ চিকিৎসা শুরু করতে পারেন, তাহলে হাতেনাতে ফল পাবেন খুব অল্প সময়েই।এ বিষয়ে রূপ বিশেষজ্ঞদের কিছু পরামর্শ।
টমাটো
টমেটোয় রয়েছে ব্লিচিং এজেন্ট, তাই এটি থেতো করে মুখে লাগালে দেখবেন দাগ কমে গেছে। এটি মুখে লাগিয়ে ২০ মনিট রেখে দিন। তারপর ধুয়ে ফেলুন।
মধু
ব্রণের কারণে হওয়া দাগ সারাতে মধুর কোনো বিকল্প নেই। মুখে গোলাকারভাবে ধীরে ধীরে মধু লাগিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দিন। তারপর মুখটা ভালো করে ধুয়ে ফেলুন। রোজ এমনটা করলে দেখবেন দাগ কমে যাচ্ছে।
অলিভ অয়েল
এই তেলে ভিটামিন-ই আছে। অলিভ অয়েল শুধু দাগ কমায় না, সেইসঙ্গে ত্বককে নরম করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
লেবু
এই ফলে ব্লিচিং ক্ষমতা থাকায় মুখের দাগ কমাতে সাহায্য করে। তবে লেবু, ত্বককে খুব শুষ্ক করে দেয়। তাই এটি মুখে লাগানোর পর মনে করে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম লাগাবেন।
নারকেল তেল
ভিটামিন- ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এই তেলটি মুখে লাগালে দাগ কমে যায়। এমনকি পুরানো দাগ কমাতেও এটি দারুন কাজে আসে।
লাল চন্দন
চিকেন পক্সের কারণে হওয়া দাগ সারাতে এটির কোনও বিকল্প নেই। এছাড়াও ব্রণের দাগ কমাতেও লাল চন্দন দারুন কাজ করে। মধুর সঙ্গে লাল চন্দন মিশিয়ে মুখে লাগান। তাহলেই দেখবেন ত্বক কেমন উজ্জ্বল হয়ে উঠছে।
আলু
পরিমাণ মতো আলু বেটে নিয়ে সেটা মুখে লাগান। তবে রোজ এটি মুখে লাগালে ভালো ফল পাওয়া যায়।