মানুষ/মানব বলতে একই পৃথিবীতে একক জাতি। এদের জন্মের সূত্র এক, পরিণতিও এক এবং স্রষ্টাও একক/একাকার ও অভিন্ন। অতএব জন্ম মৃত্যুর মাঝে একাধিক ধর্মবিশ্বাস অথবা একই ধর্মে মতবিরোধ কিছুতেই যুক্তিসঙ্গত নয়। একক মানবগোষ্ঠীর, একক ধর্মই মানবধর্ম বা শান্তিবাদ (ঔঁম বা ইছলাম)। এর প্রধান স্তম্ভ: বিশ্বস্থতা, সততা, সমতা, একতা, পরিশ্রম ও ত্যাগ অতঃপর স্রষ্টায় বিশ্বাসী; এই ৬টি স্তম্ভ দাঁড় করাতে হবে সংস্কার করে অন্ধবিশ্বাস, অলসতা, মিথ্যা, লোভ, হিংসা-অহঙ্কার (শিরক)।
বস্তু-অবস্তু, সকল জীব তথা সকল মানুষের অন্তরেই আল্লাহর অবস্থান; বিশ্বাস-অবিশ্বাসের মূল কেন্দ্রবিন্দু স্ব-স্ব অন্তর। দেশ বা ভাষার পার্থক্য ছাড়া অমুক ধর্ম, ভিন্ন ধর্ম ইত্যাদি বলে পার্থক্য করার সুযোগ নেই! সকল ঐশী গ্রন্থই একাকার আল্লাহ থেকে এবং অভিন্ন মানবজাতির উদ্দেশ্যে। কিন্তু সকল কালের গোঁড়া ধর্মান্ধগণ ঐশী গ্রন্থের বিপরীতে নবী-রাছুল, অবতার-দেবতাদের নামে শরিয়ত রচনা করে একক ধর্মে মতভেদ সৃষ্টি করে স্বগোষ্ঠির রক্তের হোলি খেলায় মত্ত রয়েছে।
প্রত্যেক জাতির উচিত দু’নম্বরী বা উপ-ধর্মগ্রন্থ ছেড়ে স্ব-স্ব মূল ঐশী গ্রন্থে ফিরে আসা এবং আসলেই প্রমাণ পাবে যে, মানবধর্মে কোনই পার্থক্য নেই; আর কুরআনই অতীত সকল ঐশী গ্রন্থের বিশদ ব্যাখ্যা ও সংরক্ষক। ইত্যাদি বিষয় বেদ, কুরআন ও হাদিছ মুখোমুখি উত্থাপন করে এর সত্যাসত্য উপস্থাপনই এই সংস্থার প্রথম এবং প্রধান উদ্দেশ্য।